আমরা এখানে আপনার সাহায্যের জন্য আছি

আপনার জন্য প্রস্তাবিত আর্টিকেলগুলো দেখুন

ই-লার্নিং প্লাটফর্ম  এবং জব পোর্টাল ব্যবহার করার জন্য একজন ইউজারকে এখানে নিবন্ধিত হতে হবে।  এর জন্য যে যে তথ্য দিতে হবে:

  • আপনার পুরো নাম লিখুন
  • একটি সঠিক ইমেইল এড্রেস লিখুন (আপনি সাইন-ইন করার সময় এটি ব্যবহার করবেন)
  • একটি পাসওয়ার্ড লিখুন
  • পাসওয়ার্ডটি পুনরায় লিখুন
  • প্রতিবন্ধীতার ধরণ
  • লিঙ্গ
  • সুবর্ণ কার্ড নম্বর (ঐচ্ছিক)

 

মেন্যু বারে লগইন লিংক- ক্লিক করুন লগইন করতে যা যা তথ্য দিতে হয়-

  • রেজিস্ট্রেশনের সময় দেয়া ইমেইল এড্রেস
  • পাসওয়ার্ড

শুরুতেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের অ্যাক্সেসিবিলিটি হেল্প এর জন্য একটি হেডার যুক্ত করা আছে ই-শিক্ষা প্লাটফর্মের পেজটি লোড হলে কিবোর্ডের ট্যাব বাটন প্রেস করলে অথবা অল্ট + /  চাপলে অ্যাক্সেসিবিলিটি হেডার বের হয়ে আসবে  এখান থেকে একজন ইউজার তার পছন্দ মতো অপশন বাছাই করে স্বাচ্ছন্দে সাইটটি ব্যবহার করতে পারবে এখানে যা যা অপশন আছে-

  • স্কিপ করে মূল কন্টেন্টে যান
  • সেকশন নির্বাচন করুন
  • অ্যাক্সেসিবিলিটি সহায়তা উইন্ডোটি খুলুন
  • এই মেনুটি খুলতে অল্ট +/ টিপুন

স্কিপ করে মূল কন্টেন্টে যান 

এই বাটনটির মাধ্যমে পেজের হেডার মেন্যু বার সরিয়ে সরাসরি পেজটির কনটেন্টে নিয়ে যায় যেন কোনো নেভিগেশন মেন্যু না পড়তে হয় 

সেকশন নির্বাচন করুন

এই অপশন দ্বারা বর্তমানে অবস্থিত পেজের ভাগ করা সেকশন গুলোতে সরাসরি যেতে পারবেন একেক পেজ জন্য এখানে ভিন্ন অপশন দেখাবে যেন প্রতিটি ইউজার একটি  পেজে কমফোর্ট এর সাথে যেকোনো জায়গায় যেতে পারে 

অ্যাক্সেসযোগ্যতা সহায়তা উইন্ডোটি খুলুন

এই বাটনটি চাপলে অ্যাক্সেসিবিলিটি হেল্প উইন্ডোটি স্ক্রিন এর বাম পাশ দিয়ে বের হবে এবং এখান থেকে বিভিন্ন অ্যাক্সেসিবিলিটি অপশন বেছে প্রয়োজনীয়টি সিলেক্ট করে নিজের কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন  

এখানে যে যে অপশন গুলি থাকবে

Download Screen Reader

এই লিংকটি ক্লিক করলে বহুল ব্যাবহৃত এন ভি ডি নামক স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করতে পারবে ইউজাররা

Color Adjustments

এখানে বিভিন্ন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে সাইটটির কালার পরিবর্তনের বিকল্প পছন্দ ব্যবহার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে যে যে অপশনগুলো এখানে থাকছে,

  • Invert Colors: বর্তমান কালার বদলিয়ে বিপরীত ধরণের কালার ব্যবহার করা
  • Dark Contrast: ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের কালার সম্পূর্ণ কালো করে লেখাগুলো সাদা হালকা কালার করে ফুঁটিয়ে তোলা
  • High Saturation: কালার পরিবর্তন না করে লেখা এবং চিত্রের রং আরো  উজ্জ্বল ভাবে দেখানো
  • Greyscale Monochrome: সম্পূর্ণ সাইটটি সাদা কালো করে উপস্থাপন করা 

Fonts

এখানে বিভিন্ন ধরণের প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে সাইটটির ফন্ট পরিবর্তনের বিকল্প পছন্দ ব্যবহার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে যে যে অপশনগুলো এখানে থাকছে,

  • Font Size Small: বিভিন্ন ফন্ট আকার ছোট করতে
  • Font Size Big: বিভিন্ন ফন্ট আকার বড় করতে
  • Text Spacing: টেক্সট গুলোর মধ্যকার যে বিরতি তা আরো বড় করতে
  • Readable Fonts: সকল ফন্ট বোল্ড অর্থাৎ মোটা করবে এই বাটনটি

Image Adjustment

  1. Image Greyscale: শুধু ছবি গুলোকে সাদাকালো করতে অপশনটি ব্যবহার করা যাবে
  2. Image Invert: সাইট ব্যবহৃত ছবি গুলোর রং বদলিয়ে বিপরীত ধরণের কালার দেখানো

Links

  • Highlight Links: সকল লিংক গুলোর চারদিকে বাক্স তৈরি হবে স্পষ্ট ভাবে বোঝানোর জন্য
  • Underline Links: সকল লিংক গুলোর নিচে একটি রেখা  তৈরি হবে স্পষ্ট ভাবে বোঝানোর জন্য

     

Zoom

  • Zoom Out: সাইটটিকে আরো ছোট করে দেখার জন্য
  • Zoom In: সাইট টিকে আরো বড় করে দেখার জন্য
  • Other AdjustmentsLarge Cursor: এর মাধ্যমে মাউস এর তীর চিহ্ন যুক্ত কার্সরটি বড় হবে
  • Stop Animations: সবরকমের অ্যানিমেশন বন্ধ করতে
  • Highlight Titles: সকল হেডিং টাইপের লেখা গুলোর চারিদিকে বাক্স দ্বারা আবৃত হয়ে ফুটিয়ে উঠানো হবে

     

Keyboard Shortcut

কী-বোর্ড শর্টকাট বাটনটি ক্লিক করে সাইটে ব্যবহৃত বিভিন্ন অপশনগুলো কী-বোর্ডের কোন কী চেপে ব্যবহার করা যাবে তা দেখতে পারবে।

Reset all

এই বাটনটি ক্লিক করলে পূর্বে করা সকল অ্যাক্সেসিবিলিটি অপশন সিলেকশন মুছে যাবে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশই এখন তরুণ। আর তরুণরাই পারে একটি দেশের অর্থনীতির গতি পরিবর্তন করতে। মোট জনসংখ্যার ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা এখন বেশি, যা জনসংখ্যার প্রায় ৩২ শতাংশ (উৎসঃ CIA - The World Factbook)। কোনো দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যখন আনুপাতিক হারে সবচেয়ে বেশি থাকে তখন তাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড (Demographic Dividend) বা ডেমোগ্রাফিক বোনাস (Demographic Bonus) বলে। এ অবস্থাকে আবার উইন্ডোজ অব অপরচুনিটিও (Windows of Opportunity) বলা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে কোনো দেশের উন্নয়নের সম্ভাবনাময় দুয়ার খুলে যেতে পারে। আর যদি সঠিক সময়ে তাদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো না যায় তাহলে তা যেকোনো দেশের জন্য বোঝা ও মারাত্মক বিপদের কারণ হবে। বাংলাদেশের এই শিক্ষিত বিপুল কর্মক্ষম জনগণকে অনলাইনে আউটসোর্সিং কাজের যোগ্য হিসেবে অথবা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তোলা অন্যতম ফলপ্রসু সমাধান হতে পারে।

 

আউটসোর্সিং (Outsourcing) হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে বাইরের কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে কোনো প্রকল্পের অংশ বিশেষ অথবা সমগ্র প্রকল্প। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) হচ্ছে যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা। গতানুগতিক অফিস সময়ের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার স্বীমাবদ্ধ নয়। কোম্পানিগুলো সাধারণত আউটসোর্সিং করে উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পর্যাপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবেও আউটসোর্সিং করা হয়। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যেমন - Web Development, Software Development, Writing & Content, Design, Multimedia & Architecture, SEO/SEM/SMM, Data Entry ইত্যাদি) আউটসোর্সিং করা হয়। যেসকল দেশ এই ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, পানামা, নেপাল, বাংলাদেশ, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, মিশর এবং আরো অনেক দেশ।

 

ফ্রিল্যান্সিং-এর ইতিহাস

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং-এর ইতিহাস খুব বেশি পুরানো নয়। গত তিন-চার বছরে এই পেশা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশে ফ্রিল্যান্সিং-এর ধারণাটি আগে থেকেই ছিল। এর সুচনা হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। "GURU" –সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যা ১৯৯৮ সালে SOFTmoonlighter.com হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় পরে Elance.com, RentAcoder.com, Odesk.com, GetAFreelancer.com, Freelancer.com, Limeexchange.com সহ আরো অনেক মার্কেটপ্লেস প্রতিষ্ঠিত হয়। ইন্টারনেটের বিস্তৃতির কারনে বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ যেভাবে হয়

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি (Employer) তার কোনো কাজ আউটসোর্সিং করাতে চান, তাহলে তিনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এসে সেই কাজটির জন্য ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে বিড (Bid) আমন্ত্রন করেন। একটি বিডের মধ্যে একজন ফ্রিল্যান্সার উল্লেখ করেন যে তিনি কত দিনের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারবেন, এজন্য তার পারিশ্রমিক কত হবে। এভাবে একটি কাজের যে কয়টি বিড হয় সেগুলোর মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং সুবিধাজনক বিডটিকে Employer নির্বাচন করেন। এরপর সেই ফ্রিল্যান্সারের সাথে তিনি যোগাযোগ করেন এবং কাজের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কাজ শেষে বিভিন্ন পদ্ধতিতে পে-মেন্ট করা হয় যা "টাকা তুলবেন কিভাবে" অংশে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

 

ফ্রিল্যান্সিং করার পূর্বশর্ত

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা থাকা জরুরী। তার সাথে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের উপরেও ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। তবে আপনার যদি একাধিক বিষয়ে দক্ষতা থাকে, তাহলে স্বভাবতই আপনি বড় পরিধিতে কাজ করতে পারবেন। আপনার ক্লায়েন্টদের বেশিরভাগই হবেন অবাঙ্গালী, সুতরাং তাদের সাথে আপনার ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে হবে। তারা Skype বা অন্য মেসেঞ্জার সার্ভিসের মাধ্যমে আপনার ইন্টারভিউ নিতে পারেন। তাই ইংরেজির ওপর ভালো দখল থাকা খুবই গুরূত্বপূর্ণ।